অন্তরিত !

তোমার শয্যা ছিল কখনো বাহুতে, কখনোবা কোলে, বিছানায়, আমার পাজর ঘেষে, আবার কখনো দোলনায় । তখন তুমি ছিলে অসহায় আর অশক্ত এক নবজন্মা শিশু, ছিলে নিষ্পাপ এক টুকরো উজ্জ্বল রক্তিম মানব দেহ । তোমার আগমনে ছোট এ ঘরটি হয়ে উঠেছিল স্বপ্নিল এক `লাইট হাউস’ ! এ গৃহের মানুষগুলো মুহুর্মুহু আবর্তিত হচ্ছিল তোমাকে ঘিরে । সে সময তোমার একটু কান্নাও এ গৃহের সবাইকে করে তুলত অস্থির ও চঞ্চল আর যখন তুমি হাসতে, বার বার বাঁকা চাঁদ অন্তরে উঁকি দিয়ে যেত, শোনা যেত মুক্তোর ছুটো-ছুটির আওয়াজ । প্রতিটি মুহুর্তে, প্রতিটি ঋতুতে তোমার জন্য এ বাড়ির মানুষগুলোর সময় কাটতো উদ্বেগ-উত্কন্ঠায় । বিছানা-কাপড়-শরীর যথেচ্ছা বারবার তুমি নষ্ট করলেও তোমার এ কাজে কেও কখনো বিরক্ত হতনা । আদর, যত্ন, সোহাগ তোমার দেহে সার্বক্ষণিক অজস্র ধারায় বর্ষিত হত । তোমার আরাম-আয়েশের আয়োজন করতে গিয়ে নিদ্রাহীন আর অভুক্ত থেকে কেটেছে কতদিন-কতরাত ! তুমি কি জানো, তোমার এ দেহের পরতে পরতে স্নেহ-ভালবাসা পূর্ণ কত শত চুমোর ছোঁয়া লেগে আছে ? তোমার শিশু বয়সের শরীরের সে সুঘ্রান আজো যেন স্পষ্ট অনুভবে আসে …! তোমার সুখ, সাফল্য ও সাচ্ছন্দের জন্য এ দেহের প্রতিটি রক্ত বিন্দুর প্রয়াস ছিল সাধ্যাতীত, গভীর মমতাপূর্ণ আর স্বার্থহীন । বিনিময়ে কবে কি দেবে, মনে এ ভাবনা কখনো জাগেনি । তুমি কেমন আছো ? …কত দীর্ঘ সময় তোমাকে দেখিনি ! জীবনের শেষ প্রান্তে এসে, একাকী এ সময়ে তোমাকে নিয়ে প্রথম, তারপরের, তারও পরের স্মৃতিগুলো আমার অনুভুতিকে আজকাল তীব্রভাবে নাড়া দেয় । তুমি কি এখন আমারই অনুকরণে কাওকে নিয়ে বিভোর সময় কাটাচ্ছ ? থাকলেইবা ; এভাবেইতো নিয়তি সাজানো । কিন্তু আমারও যে ইচ্ছা হয় তোমার সাথে একটু সময় শেয়ার করতে ! একবার যদি একটু পিছন ফিরে দেখতে ! নিজেকে যতো-ই বড় ভাবনা কেন, আমার কাছেতো তুমি এখনো সেই ছোট্ট শিশুটিই রযে গেছ । যদি তোমার সাথে আর কখনো দেখা না হয় ! কষ্ট পাবে কী ? তুমি, আমি, সবার জন্যইতো এ পৃথিবী ছেড়ে যাবার সময়টা অনিশ্চিত । আমার এ অনুভুতি হোক কষ্টের কিম্বা লজ্জার, তারপরও লেখাটি লিখে তোমার পুরনো সে ডায়রীর ভিতর রেখে দিলাম । যদি কখনো…। সৃষ্টিকর্তা যেন তোমাকে বহু বহু দিন এ পৃথিবীতে অক্ষত আর সুখে রাখেন ।

শুধুই শব্দ নয়।

খবর, লেখালেখি, আলোচনা, সমালোচনা, টক-শো, সংলাপ, মন্তব্য, তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মসূচী, শ্লোগান, জনসভা, সমাবেশ, বিক্ষোভ সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল (ঝাড়–, হারিকেন,কলসি, মশারি, জুতা), হরতাল, আগুন, ইট-জুতা-ককটেল-পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ, গুলি, টিয়ারসেল, গরম পানি, গ্রেপ্তার, জেল, রিমান্ড, জামিন, মৌন মিছিল, স্মরন সভা, প্রতিবাদ সমাবেশ, প্রেস কনফারেন্স, প্রেস বিজ্ঞপ্তি, মানব বন্ধন, ধর্মঘট, অবস্থান ধর্মঘট, অনশন, আমরন অনশন, অবস্থান, অবরোধ, ঘেড়াও, স্মারকলিপি, প্রতিবাদলিপি, গনস্বাক্ষর সংগ্রহ, প্রতিবাদ, তীব্র প্রতিবাদ, নিন্দা, তীব্র নিন্দা, ধিক্কার, পদযাত্রা, নীরবতা পালন, শপথ, অঙ্গীকার, প্রস্তাব গ্রহন, জন্ম-মৃত্যূ বার্ষিকী, দিবস পালন, ভাংচুর, তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া, হট্রগোল, গন্ডগোল, হাঙ্গামা, মতবাদ, ফর্মূলা (মাইনাস-প্লাস), কুশপুত্তলিকা দাহ, প্রদীপ প্রজ্জলন, পতাকা পোড়ানো, পুস্পস্তবক অর্পন, মাল্যদান, অভিনন্দন, প্রতিক্রিয়া, গায়েবানা জানাজা, গালি-গালাজ, সামাজিক যোগাযোগ সাইটে মন্তব্য, ব্লগার, প্রতিক্রিয়া, তীব্র প্রতিক্রিয়া, কন্ঠরোধ, বাকস্বাধীনতা, যোগদান, বহিষ্কার, খুন, জখম, ছুরিকাঘাত, মারপিট, হামলা, দখল, টেন্ডার ও চাঁদাবাজি, গুম, অপহরন, প্রভাব, দলবাজি, তোষামুদি (চামচাগিরি), আশ্বাস, সমর্থন, ভিডিও বার্তা, টেলিকন্ফারেন্স, ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ, জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বিদেশী দালাল, মধ্যস্ততা, যুদ্ধাপরাধ, জঙ্গী, মৌলবাদ, অনুদান, হুমকী, লুটপাট, পোস্টিং, পদোন্নতি, ইজম, আত্মসাৎ, লাল-হলুদ-নীল সাংবাদিকতা, মিডিয়া, জোট, ঐক্যজোট, মহাজোট, ঘুষ, দুর্নীতি, গনতন্ত্র, সৈরাচার, অপশাসন, ক্ষমতা, সংবিধান, বিচার…..এমনি আরও আরও আরও অনেক শব্দ শুধু ‘রাজনীতির’ কারনেই বাংলাদেশে অবিরত প্রয়োগ ও ব্যবহৃত হচ্ছে। জনগন শুনে যাচ্ছে, শিখছে, বলছে। এ দেশে আমরা এসব শব্দের একটিরও প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে জীবন-যাপন করতে পারছিনা।
অস্বাভাবিকতা আর অনিশ্চয়তায় সারাক্ষন হৃদপিন্ড ধুক্-ধুক্ করে। এ জীবন, কেমন জীবন ?

‘Principle of Natural Justice’

‘Principle of Natural Justice’ – “ন্যায় বিচারের নীতি” এ সম্পর্ক জ্ঞান আমাদের কতটুকু আছে ?! কেন এ জ্ঞান এতই গুরুত্বপূর্ণ, যা প্রতিটি সিদ্ধান্তগ্রহণকারী ব্যক্তির মস্তিস্কে থাকা একান্তভাবে বাঞ্ছনীয় ?
“ন্যায় বিচার” ( নীতি- শব্দ বাদ রাখলাম) শোনার সাথে সাথেই আইন-আদালত-আইনজীবি-বিচারক ইত্যাদি গুরুতর শব্দ মাথায় ঘুরপাক, টেনসন তৈরী, মনে ভীতি আসতে পারে। কিন্তু এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।
একজন সুস্থ্য, স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম মানুষ জীবনভর প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত দেন কিংবা সিদ্ধান্তগ্রহনে সহায়ক এর ভূমিকায় থাকেন। ‘সাধারণ মানুষের’ কোন একটি সিদ্ধান্ত প্রদান আর ‘বিচারকের’ একটি রায় দেয়ার মাঝে পার্থক্য আছে কি ? চিন্তায় ‘রায়’ শব্দে বিশেষ গুরুত্ববহ স্থান পেলেও, ‘সিদ্ধান্ত’ শব্দটি কোন ক্রমেই কম গুরুত্ববাহী এটি ভাববার অবকাশ নেই। কারন একটি ‘রায়’ যেমন এক বা একাধিক ব্যক্তি ও বিষয়াবলীকে সম্পৃক্ত করে পরিবর্তন ঘটায়, তেমনিভাবে একটি ‘সিদ্ধান্ত’ও সমভাবে ব্যক্তি বা বিষয়কে পরিবর্তন বা প্রভাবিত করে থাকে।
এবার সরাসরি ‘ন্যায় বিচারের নীতি’র বাক্যের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দিই। যদিও ব্যাপারটি আমার মত স্বল্প শিক্ষিত মানুষের জন্য বিশাল কিছু আর অসম্ভব প্রয়াস এবং এ কারনে “পন্ডিতি ফলাচ্ছি” বলে অনেকে আমার দিকে মুখ বাঁকাতেও পারেন।
যাহোক, আশ্চর্যজনক যে, মূলত: “ন্যায় বিচারের নীতি” বিচার সংশ্লিষ্ট আইনের কোন লিখিত “নীতি” নয়, কোন বইতে এ কথা ক’টি “আইন” হিসেবে লেখা নেই। এর অবস্থান ও উদ্ভব “প্রকৃতি” থেকে, প্রাকৃতিক আইন হিসেবেই এ আইন পরিচিত !! কিন্তু বিচারিক পদ্ধতিতে সুক্ষ্মদর্শী ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায্য রায়/সিদ্ধান্ত প্রদানে বিশেষ ভূমিকা রাখার কারনে, “ন্যায় বিচারের নীতি” এক অমূল্য পরশমণি হিসেবে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের সকল আদালতে অত্যন্ত সমীহ সহকারে অনুসৃত হয়।
৩ টি মূলনীতি অনুসরনের মাধ্যমে “ন্যায় বিচারে নীতি” পরিস্ফুটিত হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দানে সহায়তা করে থাকে।
প্রথমত : পক্ষপাতহীন বা নিরপেক্ষতা।
দ্বিতীয়ত : অভিযুক্ত এর পক্ষে স্বাক্ষ্য প্রমান গ্রহনে অবাধ সুযোগ প্রদান।
তৃতীয়ত : অভিযোগকারীর পক্ষের কারো সিদ্ধান্ত/বিচার পরিচালনায় অংশগ্রহণ না করা।
এর পর এ নীতির সর্বপ্রিয় বিষয়টি হল, প্রদানকৃত “সিদ্ধান্ত” টি’র অধিক সংখ্যক ব্যক্তির গ্রহণীয়তা।
সংসার ও সমাজে আমরা বিভিন্ন প্রয়োজনে “সিদ্ধান্ত” দিয়ে থাকি। আর সিদ্ধান্ত দেয়ার আগে অনেক ক্ষেত্রেই “ন্যায় বিচারের নীতি”র এ মূলনীতি গুলো আমরা খতিয়ে দেখিনা, অনুসরণও করিনা। আমরা সিদ্ধান্ত প্রদানের ক্ষেত্রে যে অবচেতন মনে ভুল করছিনা, এ বিষয়ে কি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ??!!
ভাল করার সামর্থ্য না-ই থাক, কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে আমরা যেন কোন মানুষের ক্ষতি না করি।

Saying `YES’

`YES’ indication word or the word `YES’ should be restricted ! Definitely nowadays, `YES’ is creating more and more problem every where in human life ! Most of the time, we say `YES’ just to satisfy others and without knowing the future affects of saying `YES’ ! We even does not think about our capability whether it is possible or not, but we say `YES’ ! Whenever we say `YES’- we consciously or unconsciously involved ourselves into a shackle of promise ! Some times, happiness disappeared from our life for saying the word `YES’ !
It is very easy to say `YES’ in any purpose, but it is so much difficult to satisfy that `YES’s in the family, in office, in the society and at the stage of state matters, all the time !
Word `YES’ may mean, `positiveness’ but before saying `YES’, think… about capability, time and resources !

চিঠি দিও প্রতিদিন

হালফিল এ সময়ে দ্রুত বদলে যাচ্ছে সবকিছু। মানুষের আচরণ, ভাষা, পোষাক-আষাক সবকিছুই যেন লক্ষ্যহীন এক গন্তব্যে এগিয়ে চলেছে। ভাবনার সময়টুকুও পর্যন্ত নেই। এ যেন “যে ভাবা সে কাজ” এর চক্কর চলছে চারদিকে। কী চাই তা জানা নেই। মন চাচ্ছে কি চাচ্ছেনা, মনের ভালো লাগছে কি লাগছেনা, করে যাচ্ছি যথেচ্ছা। লক্ষ্য বা ফলাফলের তোয়াক্কা না করে এভাবে ভবিষ্যতে পাখা মেলে দিয়ে মাটির সাথে যেন সম্পর্ক হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের। অতীত হয়ে যাচ্ছে মূল্যহীন সম্পর্কহীন। যেন কোন কালে আমাদের কোন অতীত-ই ছিলনা। অথচ সহজ-সরল আর ছোট্ট কিছু বিষয় এক সময় আমাদের জীবনকে কতই না সুখ আর আনন্দে ভরিয়ে রাখতো এ প্রসংগে নিকট অতীতের একটি সুন্দর রীতি, চিঠি লেখা-লেখির কথা মনে পড়ে যায়।
এক সময় এমন ছিল আত্মীয়-স্বজন পরিচিত জনের মধ্যে যোগযোগ, সংবাদ সংগ্রহের মাধ্যম ছিল পোস্টকার্ড, চিঠি ও টেলিগ্রাম। আর একটি মাধ্যম ছিল টেলিফোন। সে সময়ে তার এতটা প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হতনা এটা সত্য। তবে টেলিফোন স্বয়ং ছিল দুঃ¯প্রাপ্য একটি বিষয়। মূলতঃ দূর-দূরান্তে কিংবা বিদেশে আপনজনের খোঁজ-খবর করা হত পত্র লিখেই। পত্র লিখে মন উন্মুখ থাকতো, কখন আসবে ডাকপিয়নের হাতে কাঙ্খিত উত্তর। চিঠি লেখার কোন বয়স ছিলনা। পিতা-মাতা-সন্তানের মধ্যে, আত্মীয় থেকে আত্মীয়ে, বন্ধু-বন্ধবে, প্রিয়জনে, কলমী-বন্ধুতে, শিক্ষক-গুরুজনে, ব্যবসায়ী-চাকরীজীবি এদর সকলের প্রয়োজনানুযায়ী কম-বেশী এক অন্যের মধ্যে লেখা-লেখি হতো। প্রিয়জনদেরকে চিঠি লেখার জন্য ছিল রঙিন খাম। ভিতরে ফুল-পাখির ডিজাইন করা রং বেরঙের কাগজে চিঠি লেখা হত। মনের মাধূরী মিশিয়ে হরেক শব্দ/ভাষায় লেখা সে চিঠি প্রাপকের বুকের ভিতর কতই না রং তৈরী করত। চিঠিতে চিঠিতে তৈরী হত কতই না সম্পর্কের। আবার প্রতারণা, ডাকাতী এসবও হত চিঠি লিখে।
চিঠির বিষয়বস্তুতে গান, কবিতা, উপমা কত কিছুইনা থাকতো। অন্তর নিঃসৃত সে পত্র লেখা কতইনা ঘটনা আর দূর্ঘটনার জন্ম দিয়েছে। সে সময়ের চিঠি ছিল মনের দর্পন। মনের না বলা কথা, তা হোক দুঃখ-বেদনা কিংবা সুখ, তা কলমের লেখা হয়ে চিঠিতে ফুটে উঠত। টিঠিকে উপলক্ষ্য করে লেখা হয়েছে হরেক রকমের গল্প, কবিতা আর সুন্দর সুন্দর গান। এর মধ্যে জগন্ময় মিত্রের গাওয়া চিঠির গান, “তুমি আজ কত দূরে”, সাবিনা ইয়াসমিনের “চিঠি দিও প্রতিদিন” হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এর “রানার চলেছে তাই ঝুম ঝুম ঘন্টা বাজছে হাতে” লতা মুঙ্গেষকরের, “প্রিয়তম কি লিখি তোমায়” বিশেষ পরিচিত।
এখন সেদিন আর নেই। ডাকপিয়নের ঝুলিও বুঝি আজকাল অনেক হালকা হয়ে গেছে। কে লিখবে চিঠি? এ যন্ত্র যুগ কেড়ে নিয়েছে সে পত্র লেখার চল। আমরা সবাই বন্দী হয়ে গেছি ফেসবুক, টুইটার, ই-মেইল আর সেল ফোনে। বলতে গেলে এখন আর কেউই চিঠি লিখে সময় নষ্ট করে না। মোবাইলের বাটন টিপে, কাড়ি কাড়ি টাকায় কথা বলা, যখন-তখন কাছে দূরের খবর নেয়া। সময়ের এ পথ পরিক্রমায় আমাদের এখন শুধু চলে দেনা-পাওনার হিসেব কষাকষি। কি হারিয়ে গেছে, কি হারাচ্ছি এসবে আমাদের কোন খোঁজ নেই। আর কিইবা হবে খোঁজ করে। সুখ বা দুঃখ যাই হোক না কেন, স্মৃতির সবটুকুই তো কষ্টের। শখ করে কেউ কি চায় মনকে কষ্ট দিতে !

Moon


Dearest moon ! Only the satellite of earth ! Billions of people like you so much !! But it is only at night, when you lighten this earth !!
Nobody search for you at day time… though long time you are visible at day also !
Does human like you only for your light ?? May be…..!!
But i think, scientists only love you more than any, any philosopher, writers, poets and other people !!
Tell me, Why ??

“Dedicated the writing for the sake of the very venerable person Mr. Neil Armstrong”!

“বেহায়া”

ভ্যালেন্টাইন ডে খুব বাজে একটা নতুন কালচার। এ দিয়ে বিপরীত Gender ( লিঙ্গ) দের মধ্যেই বন্ধুতা প্রকাশ । যে সব রাস্ট্রে পরিবার বলতে কিছু নেই। সমাজে স্ত্রী-পুরুষের মেলামেশা হয় জীব-জন্তুর মত আর নারী হল ভোগের সামগ্রী। আত্ম তৃপ্তির জন্য যেখানে ভালবাসা বস্তুর মত হয়ে গেছে, তারাই “ভ্যালেন্টাইন – ডে” ক্যামোফ্লাজ তৈরী করে নতুন শিকার খুজতে থাকে।
এখন আমাদের খুব স্পষ্ট করে বুঝতে হবে কে কার বন্ধু হবে কিংবা হতে পারবে এবং তার ধাপ কি হবে। “ভ্যালেন্টাইন” মরে গেছে “একজন মাত্র বন্ধু কে ভালবেসে”। এখন, এ সময়ে আমাদের সবার প্রিয় বন্ধুর সংখা কি মাত্র একজন করেই আছে ??!!
মেনে নেই আমার প্রিয়জন মাত্র একজনই। তা হলে তাকে সাজিয়ে- গুজিয়ে অন্যদের দেখানো কেন ?? বন্ধু, যে আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস তার রঙ, রূপ যদি অন্য কারও মনে ধরে ??!! আর আমার চেয়েও সুন্দর পুরুষ যদি আমার প্রিয়জনের মনকে বাকিয়ে দেয় !! এ পরিনতির ছ্যাকা কি সমাজে সংসারে অহরহ দেখছি না !!
জেনে শুনেও আমরা যেন অন্ধকারের পথে হাটছি। আর আমাদের এ উদ্ভট, উলঙ্গ চলায় “বেহায়া” তার সাফল্য দেখে হাসছে। সরি।

Sycophancy

Most significant, advantageous and amazing matter.
It is a typical part of human nature and its sufficiency shining everywhere.
This is an interesting skill, which lift and rescue from many problem.
Having many shapes and some times it is more more powerful than money and power.
Easiest way to earn huge money without any investment.
Concealing truth and righteousness and praising of lie and fraud.
It likes flattering and its characteristics is to change a human into a supernatural person or a monster.
It hide actual facts and influenced human for occurring many sins and injustice.
It damaged receivers originality and independent thinking.
For its activity, human lost their impartiality and humanity.
Sycophantic performance is an artistic job, But generally its results found unfair.

Majestic Author

Commencement of his writing was, as it were, luster of fire to many sycophant and parasite writers and was a volcanic eruption to the so called intellectuals and to some Bengali litterateur, who were titled without worth !!
His arrival was gently, but talent was so profound that, all the Bengali speaking people was just. amazed after reading his writings !!
Actually there was a huge all round gap and Bengali literature was over thrown into a great void after shining concealment of Rabindranath Thakur, Kazi Nazrul Islam and Shorot Chandra chttropadday ! Though some writers was wandering in Bengali literature in absence of those renowned writers, but they were really insignificant, scattered and their writings was limited into a bounded area !!
After long time, when he entered into the literary world, with some of his extraordinary writings, Bengali literature was heavily shaken… ! Tense and ardour creates hopes into both learned and readers mind that, some one is going to spread out grains of gold in the Bengali literature ! …That was not speculation nor wordiness, which has manifested subsequently by this great literary scholar !!
What an all through wonderful composition ! Human, their pleasure and pain, smiles and tears, happiness and sorrows, classical social life and fun, bloomed one after another by his new, splendid and modern writings ! He became universally admitted to all Bengali readers by his beloved of all men compositions and succeed to knock into the heart of billions Bengali readers of the world !!
Adjacent the literature, he became the most successful Bengali Dramatist as well, all over the Bengali community of the world ! Moreover, his contribution in art of painting was everlasting !!
His unaccompanied literary works reanimated Bengali literature entirely once again and shower of its nectar enrich whole Bengali literature as well as Bengali Nation thoroughly !!
Great great Humayun Ahmed ! You are really the central gem in the field of modern Bengali literature !
You lost very unseasonably from this transitory earth, but your glorious act will be memorable long long time in the history of Bengali literature !
Why it seems (??) we did not honour you truly and we had much miserliness at the time of your eternal separation !!

“M”

The thirteenth letter “M” is the most powerful and highly valuable letter in English alphabets ! This letter makes many significant word, which are the actual controller as well as very influential things in our earth ! We can’t refuse, we can’t think and even we can’t pass a single moment without the words like, ‘Man’, “Mohammad (S.A)”, ‘Mind’, ‘Mokka’, ‘Modina’, ‘Mosque’, ‘Marriage,’ ‘Manage’, ‘Mary’, ‘Medical’, ‘Medicine’, ‘Muslim’, ‘ Milk’, ‘Miss’, ‘Mirror’, ‘Motion’, ‘Mineral’, ‘Meat’, ‘Market’, ‘Metal’, ‘Majority’, ‘Moon’, ‘Mother’, ‘Machine’, ‘Money’, ‘Male’, ‘Music’, ‘Matter’, ‘Mud’, ‘Molecules’ etc.
Examining the importance of all the above words, whose started with ‘M’… we should say this 13 (Thirteen) number letter of English alphabet is the most necessary, lucky and favorable for every human !!
Please don’t say thirteenth letter ‘M’ or 13 is an unlucky !!

Amazing

Even a dog, who doesn’t know that, he has to die, but it never preserve a piece of bone for its next meal !
What an excellent food habit !!
Wandering animals, birds or fishes are not unsteady for their day to day meal. Because they have deep faith and they knows, creator will never keep them on starving !
We, human ! What we are doing for our foods ??
Hah Hah Hah Hah Hah !
It seems, our remaining in this earth only for foods !
Human body will be looking most graceful and souls will became unimaginably pure, if they takes foods for their existence only !

Hello Humanity

Presently you have not any permanent shape and class ! For which you got various characteristics in different places ! You are exactly that, what paramount rulers says !
It observed most painfully, Nowadays you are nothing but a name, only a name. Your role for the poor, helpless and different opinion people is extremely discriminate and your acts are madly self-seeking against them. You have single minded devotion to the powerful territories only !
Human hearts knows all about your these activities and they feels shame seeing your mean natures and panic-stricken situations !
Why it is happening ? Have you lost your glory ? Are you feared and running for your own ? Why you bounded by obligations for power and money only ?

আর্তি !

স্বপ্ন দেখতে চাইনা আর
স্বপ্নের কথাও শুনতে চাইনা,
স্বপ্ন-কে ফাঁসি দিয়ে দাও কিংবা
স্বপ্নের মৃত্যূ হোক !

Twisted

Observe child, adolescent, middle age and old person of our Bangladesh ! What happened to them ??
Look at only their head and hair style !! It seems, they never wash their head and they sleeps keeping their head under pillows !! Rough and uncanny scene !
Whatever they think, but it is actually not comparable to any style nor refer to any grace. For hair style, millions of our country men shaping and cutting hair in various way, using jell-shampoo and what not !!
Does they know, whether it is better for their hair life or not ??
I am afraid that, if they continue these short of treatment, their hair will lost its quality very soon and they will be bald-headed within their middle age !!
What is the necessity of these type of torture to hair ? Is these are the symbol of modernization only ??
Mind it, nature never tolerate any unruly matters !!

Wink-Less

Only the earth but different types of land ! Different types of lands but thousands types of herbs and shrubs ! Thousands types of herbs and shrubs but million types of fruits and roots and each of them have different tests ! Even the test differs among the countries !
All the trees and plants roots are under the land.. herein, may be the differences of land only, but they are getting same components from land, from sun, from water and from air, but producing so many colorful and various testy things for us ! Are they produce these only for the cause of meteorological changes ??
Do we ever think the mystery behind this ??
Who direct them to act so ??